মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন

News Headline :
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানাপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাসিক প্রশাসকের কাছে রুয়েট শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় ১০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার খাটুনির মজুরি’ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পাবনায় ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীতে ভাতিজার হাসুয়ার কোপে চাচা নিহত পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা

ঝিনাইদহে ইউপি সদস্য হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

Reading Time: < 1 minute

সোহাগ আলী, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সংস্থা কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা। শুক্রবার সকালে কালীগঞ্জ শহরের যশোর মহাসড়কে এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করে। মানববন্ধন থেকে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।গত ১২ জুলাই বুধবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী, মেয়ে ও মেয়ের প্রেমিক মিলে তাকে জবাই করে হত্যা করে। ঘটনার ছয়দিন পর মঙ্গলবার ভোর রাতে পুলিশ নিহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মাহফুজা বেগম (৪৮), মেয়ে সুরাইয়া ইয়াসমিন মিতু (২৩) ও মেয়ের প্রেমিক সাজ্জাদ হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার করে। প্রেমিক সাজ্জাদ হোসেন বারোবাজার কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও পার্শবর্তী পাচকাহুনিয়া গ্রামের শেখ আব্দুল সাত্তারের ছেলে। মেয়ের সঙ্গে পাার্শবর্তী গ্রামের ওই যুবকের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় মা-মেয়ে ও প্রেমিক মিলে পরিকল্পিতভাবে তাকে খুন করে বলে গ্রেপ্তারের পর স্বীকার করে। নিহত আনোয়ার হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা মালিয়াট ইনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য। সে ওই গ্রামের আব্দুল বারেক মন্ডলের ছেলে এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।প্রসঙ্গত, ১২ জুলাই বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জে গলা কেটে আনোয়ার হোসেন নামে এক ইউপি সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর পুলিশ, পরিবার ও প্রতিবেশীরা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়ায় ধ্রুম্যজালের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে, ঘটনার দিন প্রতিবেশিরা জানিয়েছিলেন, তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ভিন্ন ঘটনা সাজিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com